বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী মো. রনিকে নতুন বাজারের দরবার শরিফ এলাকায় পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ সময় সেখানে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের অনুসারীরা এ হামলা চালিয়েছেন। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর একই এলাকার মাহমুদুল হক ওরফে জুয়েল নামের এক তরুণকে আটক করে স্থানীয় লোকজন। এ সময় তাঁর কাছে পাঁচটি চকলেটবোমা উদ্ধার করা হয়েছে। হামলায় আহত রনিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়ে ব্যস্ত পাওয়া যায়। তাই ঘটনার বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিজানুর রহমানের পক্ষের এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু। তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগনে।

প্রথম আলোকে মাহবুবুর রশিদ বলেন, কাদের মির্জা মুখে শান্তির কথা বললেও তাঁর অনুসারীদের তাণ্ডব থেমে নেই। গত মঙ্গলবার রাতেও তাঁর বাসার পাশে ককটেল হামলা চালান কাদের মির্জার অনুসারীরা। গতকাল বুধবার রাতে হামলার যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। ওই হামলার ঘটনায় তাঁদের কেউ জড়িত নন। তিনি আরও বলেন, ‘যে ছেলেকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে, সে এলাকার নিরীহ। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আটক করে চকলেটবোমা দিয়ে ফাঁসিয়ে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, গতকাল রাতে মিজানুর রহমানের অনুসারীদের হামলায় কাদের মির্জার অনুসারী মো. রনি গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে চকলেটবোমাসহ (পটকা) এক যুবককে আটক করেছেন। তাঁর কাছ থেকে পাঁচটি পটকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন