default-image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার ১০ জন কর্মকর্তা চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বরাবর বদলির আবেদন করেছেন। ওই আবেদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে জমা দিয়েছেন। আবেদনকারী প্রত্যেক কর্মকর্তা ব্যক্তিগত কারণে বদলির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন।

থানা-সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার প্রথম তিনজন কর্মকর্তা নিজ নিজ জেলার কাছাকাছি জেলায় যেতে আগ্রহ প্রকাশ করে বদলির আবেদন করেন। এরপর গত বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার আরও আটজনসহ সব মিলিয়ে ১০ জন কর্মকর্তা বদলির আবেদন করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী বদলির আবেদনগুলো ওসি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মাধ্যমে ডিআইজির দপ্তরে পাঠিয়ে দেন। বদলির আবেদন করা কর্মকর্তাদের মধ্যে এসআই ছয়জন এবং এএসআই চারজন।

চলমান কোম্পানীগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অস্বস্তি বোধ করায় অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

জানতে চাইলে ১০ পুলিশ কর্মকর্তার বদলির আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক। গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, প্রথম তিনটি আবেদন তিনি নিয়ম অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরাবর পাঠিয়ে দিয়েছেন। পরেরগুলো নিজের কাছে রেখেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

বিজ্ঞাপন

এসব পুলিশ কর্মকর্তা একযোগে ব্যক্তিগত সমস্যা দেখিয়ে বদলির আবেদন করলেও অপর একটি সূত্র থেকে জানা যায়, চলমান কোম্পানীগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অস্বস্তি বোধ করায় অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

থানা-পুলিশের ওই সূত্র জানায়, গত কিছুদিন ধরে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র ধারাবাহিকভাবে জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), থানার ওসি মীর জাহেদুল হক ও পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হককে প্রত্যাহারের দাবি জানানোর পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে সভা-সমাবেশে বক্তব্য অব্যাহত রাখায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি বিরাজ করছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের ওই কর্মকর্তারা অন্যত্র বদলি হয়ে যেতে চাইছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন