বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খাবারের মধ্যে ছিল পোলাও, রোস্ট, খাসির রেজালা, ডিম, পায়েস, কোমল পানীয় ও খাওয়ার পানি। আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে ফেরা এসব বাংলাদেশি নাগরিকের কাছে বেলা ১১টার দিকে খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়। জেলা শহরের আশিক প্লাজা হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের হাতে খাবার তুলে দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেহেদী মাসুদ আকন্দ। এ সময় তিনি কোয়ারেন্টিনে থাকা সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ বড়ুয়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফ-উল-আরেফীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পীযূষ কান্তি আচার্য প্রমুখ।

আখাউড়ার ইউএনও রোমানা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৩১৪ জন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফিরেছেন। তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন স্থানসহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ভারতফেরত ১৯৭ জন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

যেসব জায়গায় ভারতফেরত ব্যক্তিরা কোয়ারেন্টিনে থাকছেন, তার মধ্যে রয়েছে বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, আশিক প্লাজা আবাসিক হোটেল, হোটেল গ্র্যান্ড মালেক, হোটেল গ্র্যান্ড তাজ, তিতাস ভিউ হোটেল ও হোটেল অবকাশ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেহেদী মাসুদ আকন্দ বলেন, সবাই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে থেকে ঈদ-আনন্দ উপভোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু করোনাকালে ভারত থেকে আসা ওই বাংলাদেশি নাগরিকেরা সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই ঈদের দিনটা তাঁরা যাতে উন্নত খাবার খেতে পারেন, সে জন্যই জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ। এই খাবারের পাশাপাশি জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান সবাইকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন। এগুলো পেয়ে খুশি হয়েছেন কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন