বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীদের অন্য দুটি দাবি হলো ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সুস্পষ্ট তারিখ ঘোষণা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্যাকসিনেশন বুথ স্থাপন করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহণের সুযোগ দিয়ে এ-সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা।

সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হক বলেন, ‘দুই মাস ধরে সরকার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এরপরও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ব্যাপারে আমরা কোনো অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রস্তুতি গ্রহণের ধরন থেকে আমরা বুঝতে পারছি, যত বেশি দিন সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার পাঁয়তারা চলছে।’ ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার তারিখ ঘোষণা না করা হলে শিক্ষার্থীরা সমুচিত জবাব দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক শোভন রহমান, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী নুরুজ্জামান, নুসরাত ফারিন, দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের নূর-এ সুলতান ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ইকবাল হোসাইন।

উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে থাকা সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলমের পক্ষে উপাচার্যের একান্ত সচিব ডেপুটি রেজিস্ট্রার সানোয়ার হোসেন স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘দেশের কলকারখানা থেকে শুরু করে বিনোদনকেন্দ্র, হাটবাজার সবকিছুই খোলা রয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও খুলে দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে হলে থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন এবং কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় হল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও উদ্যোগ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়নি।’

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘আজ (বুধবার) বিকেলে প্রশাসনিক সভা রয়েছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হবে। শিগগিরই সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমাদের কিছু প্রস্তুতির দরকার রয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন