বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বারইল গ্রামের মোসলেম উদ্দিন বলেন, দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলে লোকজন এসে ত্রাস সৃষ্টি করে। তাদের সবার হাতে লাঠি ও লোহার রড ছিল। তারা আনারস প্রতীকের প্রার্থী আবদুর রশিদের লোকজনের গালিগালাজ করে প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর চালায়। যাঁরা নৌকার বাইরে কথা বলবে, তাঁদের পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মশিউর রহমান বলেন, ‘স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছে। মূলত তিনি আমার জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে নির্বাচনে বিশৃঙ্খলার চেষ্টার করছে। আমার লোকজন কেউ মোটরসাইকেল ও দোকানপাট ভাঙচুর করেনি।’

default-image

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকিম মণ্ডল বলেন, ‘আমরা পাশের আলমপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী গণসংযোগ শেষ করে মাহমুদপুর ইউনিয়নের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমানের গণসংযোগ করছিলাম। আমাদের দেখে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন বিশৃঙ্খলা করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী দলীয় প্রার্থী বা আওয়ামী লীগের কোনো দলীয় নেতা-কর্মীরা জড়িত নন।’

আলমপুর ও মাহমুদ ইউপির রিটার্নিং কর্মকর্তা আনিছার রহমান বলেন, মাহমুদপুর ইউপিতে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর মধ্যে ঝামেলা হওয়ার বিষয়টি জেনেছেন। তবে এ ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেননি।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নীরেন্দ্রনাথ মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় মহব্বতপুর গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রশিদের পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর মাহমুদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন