বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রে দেরিতে আসায় তিথিকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসির সদস্যরা তাঁকে বাধা দেন।

তিথিকে কাঁদতে দেখে সান্ত্বনা দিতে আসেন আশপাশে থাকা ঢাকা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকও। তিথির সঙ্গে আসা মা গীতা রায় বলেন, পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য খুব সকালে গোপালগঞ্জ থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেন তাঁরা। কিন্তু বরিশাল নগরীর চৌমাথা ও সাগরদী এলাকায় যানজটে আটকে নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন।

গীতা রায় আক্ষেপ করে বলেন, ‘মেয়েটার এত দিনের কষ্ট সব জলে গেল। কীভাবে যে ওকে সান্ত্বনা দেব, কিছুই বুঝতে পারছি না।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর খোরশেদ আলম বলেন, ভর্তি পরীক্ষার বিধি অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে ঢোকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তিথি রায় নামের ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষা শুরুর অন্তত ২৫ মিনিট পরে কেন্দ্রে উপস্থিত হন। যদি ১১টার দু-এক মিনিট পরেও আসতেন, তাহলেও বিষয়টি বিবেচনা করা যেত। শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থার কথা ভেবে বিষয়টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলকে জানালে তারাও ওই পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি দেয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন