বাজারে কথা হয় গুইমারা থেকে আসা সুইচিং মারমা, আপ্রুমা মারমা, চিংমেপ্রু মারমাসহ একদল তরুণীর সঙ্গে। তাঁরা বলেন, ১৭ জন বান্ধবী মিলে প্রতিবছরের মতো এবারও সাংগ্রাই উৎসবে একই ডিজাইনের নেট আর সুতির গজ কাপড়ের থামি সেলাই করবেন। চার ঘণ্টা সারা বাজার ঘুরে তাঁরা পছন্দের কাপড় কিনেছেন। তবে শেষ মুহূর্তে এসে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে তাঁদের একই রঙের কাপড় মেলাতে যেমন কষ্ট হয়েছে, তেমনি সেলাইয়ের দামও বেশি দিতে হবে।

পানছড়ি থেকে বাজার করতে আসা শিক্ষিকা রিনা চাকমা বলেন, কাপড় পছন্দ হচ্ছে, তবে দাম বেশি। ১০ দিন আগেও এমন দাম ছিল না। শোরুমগুলোরও একই অবস্থা।

খাগড়াছড়ি বাজারের শাড়ি, থ্রি–পিস ও থান কাপড়ের দোকান আমন্ত্রণ ক্লথ স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. শাহ আলম বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীরা বৈসাবি উপলক্ষে বিক্রির অপেক্ষায় থাকি। সারা বছরের বিক্রি এই উৎসবে হয়ে থাকে। গত দুই বছর করোনার কারণে তেমন বেচাবিক্রি হয়নি। এই বছর যথেষ্ট বিক্রি করতে পারছি। থ্রি–পিসের চেয়ে থান কাপড় বিক্রি হচ্ছে বেশি। শুধু পাহাড়িরা কেনাকাটা করছেন, তা নয়। পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালিরাও কেনাকাটা করতে ভিড় করছেন বাজারগুলোতে।’

শহরের কলেজপাড়া এলাকার মরিয়ম আক্তার নামের এক গৃহবধূ দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সেলিম মার্কেটে এসেছেন কেনাকাটা করতে। তিনি বলেন, প্রতিবেশীরা সবাই পাহাড়ি। তাঁদের দেখাদেখি সন্তানেরা আবদার করেন নতুন পোশাকের জন্য। নতুন পোশাক পরে সন্তানেরা বৈসাবির দিন প্রতিবেশীদের বাড়িতে বেড়াতে যায়। তাই তিনি প্রতিবছর বৈসাবি উপলক্ষে নতুন পোশাক কেনেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন