বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলায় ছোট-বড় সব মিলিয়ে ৭০টি আবাসিক হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউস রয়েছে। তবে করোনার ধাক্কা কাটিয়ে এ পর্যটন মৌসুমে আশানুরূপ পর্যটক না পেয়ে হতাশ জেলার হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা।

খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলের ম্যানেজার ইদ্রিস তালুকদার বলেন, তাঁদের মোটেলের ৫০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় সবাই সরকারি লোকজন। মোটেলে তেমন কোনো পর্যটক নেই।
খাগড়াছড়ি হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা জানান, এখন পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি হোটেল-মোটেল বুকিং হয়েছে। সব মিলিয়ে ৩০ শতাংশ হোটেল-মোটেলও বুকিং হয়নি।

তবে হোটেল-মোটেলগুলোর কক্ষ ফাঁকা পড়ে থাকলেও সাজেকগামী পর্যটকদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন যানবাহন ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা। জেলার জিপ সমিতির লাইনম্যান মো. নাসির বলেন, তাঁদের সমিতির অধীনে খাগড়াছড়ি-সাজেক রুটে ১২৭টি গাড়ি যাতায়াত করে। তবে বৃহস্পতি থেকে রোববার পর্যন্ত লাইনের সব গাড়ি এখন বুকিং হয়ে গেছে। এখনো অনেকেই ফোন করে গাড়ি বুকিং চাইছেন।

খাগড়াছড়ি শহরের রেস্তোরাঁ সিস্টেমের কর্মচারী আচিং মারমা বলেন, বৃহস্পতিবার এলেই রেস্তোরাঁয় পর্যটকদের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার তাঁদের রেস্তোরাঁয় হাজারের বেশি লোকজন এসেছেন। একপর্যায়ে খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকে খাবার না পেয়ে ফিরে গেছেন।

খাগড়াছড়ি চেম্বার অব কমার্সের সদস্য এম ইসমাইল হোসেন বলেন, মূলত পর্যটকেরা সাজেক ভ্যালি দেখার জন্য আসেন। রাতের গাড়িতে খাগড়াছড়িতে এসে সকালেই তাঁরা সাজেক চলে যান। সারা দিন সাজেক ঘুরে বিকেলের দিকে অনেকে খাগড়াছড়ি শহরে আসেন। এককথায় পর্যটকেরা সাজেক থেকে ফিরে যাওয়ার পথে অল্প সময়ের জন্য খাগড়াছড়ির আশপাশের এলাকা ঘুরে চলে যান। এ কারণেই খাগড়াছড়ি হোটেল-মোটেলগুলো খালি থাকে।

তবে খাগড়াছড়িতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোহা. আবদুল আজিজ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় ২৪ ঘণ্টা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পর্যটকেরা যেন নিরাপদে ভ্রমণ উপভোগ করতে পারেন, সে জন্য পুলিশ সদস্যরা তৎপর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন