বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাহাব উদ্দিন যাচাই-বাছাই না করে তালিকা থেকে অসচ্ছলদের নাম বাদ দিয়ে নিজের আত্মীয় কিংবা পরিচিত প্রতিবন্ধী, মৃত, সচ্ছল ও প্রবাসী ব্যক্তিকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। অথচ খেটে খাওয়া মানুষগুলো করোনার মধ্যে হঠাৎ চাল না পেয়ে অর্ধাহারে–অনাহারে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের অধিকার ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তাঁরা।

বক্তারা বলেন, গত ১০ আগস্ট উপজেলা খাদ্য অফিস খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকা হালনাগাদ করতে ইউপি চেয়ারম্যানদের নোটিশ দেয়। নোটিশের পরিপ্রক্ষিতে চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করেই পুরোনো তালিকায় থাকা অসচ্ছল, দুস্থ, প্রতিবন্ধী সুবিধাভোগীদের নাম বাদ দিয়ে নতুন করে তালিকা তৈরি করেন। নতুন তালিকায় চেয়ারম্যান নিজের আত্মীয়স্বজন ও তাঁর অনুসারীসহ মৃত, প্রবাসী, ব্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ ছাড়া একই পরিবারে একাধিক নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আবার অনেকের নামে ভিজিডি কার্ড থাকা সত্ত্বেও তাঁদের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাহাব উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কারও নাম বাদ দিইনি। ইউপি সদস্যদের দেওয়া তালিকাই রাখা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা লাইজু আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।’

উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরউজ্জামান বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। এটা ইউনিয়ন পরিষদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমার জানামতে, উপজেলা আওয়ামী লীগ তাঁদের নিয়ে একটা বৈঠক করেছে। আশা করি, শিগগিরই এর সমাধান হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন