বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তালবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, এই সড়ক বেহাল অনেক দিন ধরেই। গত বছর এই সড়কে উঁচু-নিচু আবার কখনো ঢিবির মতো ছিল। যার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটত। আবার এ বছরে গর্তের কারণে একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

তালবাড়িয়া থেকে মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়া শহরে যাতায়াত করেন চাকরিজীবী নাজমুল হক। তিনি বলেন, প্রতিদিন সকালে গিয়ে

আবার রাতে আসা লাগে। প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তায় গর্তের কারণে অনেক সময় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সময় হাতে রেখে পথে বের হতে হয়।

দূরপাল্লার বাসের চালক আয়নাল হক বলেন, দশমাইল এলাকা থেকে ১৫ কিলোমিটার সড়ক পার হয়ে কুষ্টিয়া শহরে আসতে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা সময় লাগছে। আগে যেখানে আধা ঘণ্টায় আসা যেত।

স্থানীয় সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, প্রায় তিন বছর সড়কটি সংস্কার করা হয়েছিল। তখন পণ্যবোঝাই ভারী ভারী যানবাহন চলাচলের মতো সক্ষমতার বিষয়টি মাথায় রাখা হয়নি। সংস্কারকাজের কিছুদিন পর সড়কের বিভিন্ন স্থানে উঁচু-নিচু হতে দেখা যায়। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে সড়কটি একেবারেই যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

তালবাড়িয়া রানাখড়িয়া এলাকায় বালুর ঘাট রয়েছে। প্রতিদিন বালুবোঝাই ভারী ট্রাক এখান দিয়ে মহাসড়কে উঠছে। বালু ও পানি পড়ে সড়ক দ্রুত বেহাল হয়েছে। এখন জনসাধারণকে এর খেসারত দিতে হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ জনদুর্ভোগ লাঘবে সড়কে ইট-বালু ফেলে জরুরি মেরামতের কাজ করলেও এর কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিরুল ইসলাম বলেন, ভেড়ামারা উপজেলার বারোমাইল এলাকা থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত সড়কটি পুনর্নির্মাণের জন্য সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হবে। সড়কটি পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন হলে জনদুর্ভোগের নিরসন হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন