বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আম্মু আমি চলে যাচ্ছি। আমাকে তোমরা ক্ষমা করে দিও। আমার কাছে বাসা ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া কোনো রাস্তা খোলা ছিল না। রেজাল্ট জানি না কী হবে। তবে এটা নিশ্চিত যে জিপিএ-৫ আসবে না। সব দোষ আমার।’

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের পর আনাস তার মুঠোফোনটি চালু করে। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আনাসের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে তাকে রংপুর থেকে উদ্ধার করা হয়।

মোস্তাকিম প্রথম আলোকে বলেন, পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা দেওয়ার পর তার মন খারাপ হয়ে যায়। তার ধারণা হয়েছিল, ওই বিষয়ে সে এ প্লাস পাবে না। আর একটা বিষয়ে এ প্লাস না পেলে ভবিষ্যতে ভালো কোনো কলেজে ভর্তি কিংবা ভালো চাকরির সুযোগ হবে না। ২২ ডিসেম্বর সে বাসে করে রংপুর দর্শনা মোড় এলাকায় যায়। সেখানে সিলসিলা হোটেলে সে থাকা-খাওয়ার বিনিময়ে হোটেলবয়ের কাজ নেয়। সে আর কখনো এ ধরনের কাজ করবে না বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন