কনস্টেবলকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা

খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ, এসআই মিজানুলকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

বিজ্ঞাপন
default-image

ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার কনস্টেবল হালিমা খাতুনকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় এসআই মিজানুল ইসলামের (সাময়িক বরখাস্ত) খালাসের বিরুদ্ধে নিহতের বাবার করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এসআই মিজানুলকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

ওই মামলায় চলতি বছরের ৯ মার্চ ময়মনসিংহের আদালতের দেওয়া রায়ে মিজানুল ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে গত মাসে হাইকোর্টে আপিল করেন হালিমার বাবা হেলাল উদ্দিন আকন্দ।  আজ আপিলের গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি হয়।

আদালতে আপিলকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ ফজলে এলাহী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরে আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্ট আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে এসআই মিজানুল ইসলামকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মামলার যাবতীয় নথিপত্র তলব করা হয়েছে।

আইনজীবীর তথ্যমতে, ২০১৭ সালের ২ এপ্রিল বিকেল তিনটার দিকে গৌরীপুর থানার ব্যারাকে নিজ কক্ষে দরজা বন্ধ করে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন কনস্টেবল হালিমা খাতুন। সহকর্মীরা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখান থেকে ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যান হালিমা। এ ঘটনায় একই থানার এসআই মিজানুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন হালিমার বাবা হেলাল উদ্দিন আকন্দ। এ মামলায় মিজানুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আর ঘটনার পর ২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করেন হেলাল উদ্দিন আকন্দ। সেখানে তার মেয়ের ডায়েরিতে থাকা কিছু লেখা সাংবাদিকদের দেখান তিনি। হালিমার মৃত্যুর জন্য মিজানুল ইসলামকে দায়ী করে লেখা বলে তখন উল্লেখ করে হালিমার বাবা। আর হালিমার বাবার করা মামলায় চলতি বছরের ৯ মার্চ রায় দেন বিচারিক আদালত।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন