বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের শেখানো হচ্ছে, আওয়ামী লীগের বক্তৃতায় দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু দেশ বক্তৃতায় স্বাধীন হয়নি। আমরা দেশের মা-বোনের ইজ্জত রক্ষার জন্য লড়াই করেছি। এই দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা খালেদা জিয়া। চট্টগ্রাম, ঢাকার পাড়ায় পাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে খুঁজে বের করেছে পাকিস্তানি বাহিনী। সেই বেগম জিয়া পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আট মাস বন্দী ছিলেন। এই ঘটনা ৫০ বছর আগের, ৫০ বছর পরও তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে বন্দী।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বর্তমান স্বৈরশাসকের ভিত কেঁপে উঠেছে। বিএনপির মতো জনপ্রিয় দলকে সরকারি বিদ্যালয়ের মাঠে সভা করতে দেয়নি। গলির মধ্যে সভা করতে বাধ্য করেছে। কারণ, তারা আতঙ্কিত। এই সরকার ছয় শতাধিক বিএনপি নেতাকে গুম করেছে। এতিম শিশুদের কান্না বিশ্বের কাছে পৌঁছে গেছে। অতি অল্প সময়ের মধ্যে এই স্বৈরশাসককে বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিতে হবে। তাদের অপকর্মের কথা বিশ্ববাসী জেনে গেছে।’

সমাবেশে উপস্থিত বিএনপির নেতা-কর্মীরা জানান, পথে নানা বাধা, হুমকি-ধমকি কাটিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে তাঁরা ভোলা শহরে আসতে শুরু করেছেন। রাতে হোটেল, স্বজনদের বাড়ি, দলীয় কার্যালয়ে রাত কাটিয়েছেন। প্রশাসনের কাছে সরকারি বিদ্যালয়ের মাঠ বরাদ্দ চাইলে তারা কমরেড নলিনী দাস মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ দিয়েছে। তা–ও বিক্ষোভ প্রদর্শন, মিছিল করা যাবে না ইত্যাদি নানা শর্ত জুড়ে দিয়েছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীরের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মুজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও মো. মাহবুবুল হক, নির্বাহী সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, মো. হাফিজ ইব্রাহীম, মো. নুরুল ইসলাম, মো. হায়দার আলী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম খানসহ জেলা-উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

দুপুর থেকে ভোলার সাত উপজেলার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ভোলা সদর রোড, কালিনাথরায়ের বাজার, দরগা রোড, সার্কুলেশন রোড, খেয়াঘাট সড়ক ও আশপাশে মানুষের বাড়ির ছাদ—সবখানে জমায়েত হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন