বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প সম্পর্কে কী জানেন?

হায়াত: কৃষির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এটা সম্পূরক সেচ বা কৃষকের ফসল উৎপাদনে অনেক সময় সম্পূর্ণ সেচ পায়। কিন্তু তাদের কিছু সমস্যাও আছে।

কী সমস্যা?

হায়াত: কৃষকদের অভিযোগ আছে, তাঁরা সঠিক সময়ে পানি পান না। অসময়ে (বর্ষাকালে) পানি পান। এই সমস্যা সমাধান করা দরকার। জেলার সভাগুলোতে এসব তুলে ধরা হয়।

দীর্ঘ চার বছর তিনটি পাম্পের মধ্যে একটি পাম্প বন্ধ ছিল। তাতে কৃষকের কী ক্ষতি হয়েছে?

হায়াত: দেখেন, আমি আগেই বলেছি তাঁদের কিছু সমস্যা আছে। পানি না পেয়ে ফসল উৎপাদনে কিছুটা ক্ষতি তো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে নির্দিষ্ট মাত্রায় পানি না পাওয়ায় সমস্যা নিরসনে কৃষকেরা নিজস্ব ব্যবস্থায় গভীর নলকূপ স্থাপন করে সেচ কাজ সম্পন্ন করে থাকে। তবে পাম্প সচল হওয়ায় খালে পানি যদি সব সময় থাকে তবে কৃষকের দুর্ভোগ কমবে।

জিকের পানি কী শুধু সেচ কাজে ব্যবহার হয়?

হায়াত: এটা ভালো কথা বলেছেন। খালে যখন পানি থাকে তখন আশপাশে যে ফলের বাগান থাকে, তাতে পানির মাত্রাটা সঠিকভাবে পায়। এতে ফলের ফলন ভালো হয়। সম্প্রতি কুষ্টিয়াসহ আশপাশের এলাকায় প্রচুর মাল্টা চাষ হচ্ছে। খালে পানি সব সময় থাকলে এই মাল্টার ফলন আরও বৃদ্ধি পাবে।

পাম্প চালু হয়েছে, এতে এই অঞ্চলে আরও কী প্রভাব পড়বে?

হায়াত: খালের পানি এই অঞ্চলে সামগ্রিক প্রভাব ফেলে। পানিপ্রবাহ হলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য থাকে। পুকুরে পানিপ্রবাহ ঠিক থাকে। সেখানে মাছের চাষ ভালো হয়। টিউবওয়েলগুলোতে পানি পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, খালে পানি থাকলে পরিবেশে উচ্চ তাপমাত্রা কমে যায়। এটা ঠিক, পাম্প চালু হওয়ায় কৃষকের ফসল উৎপাদন ও ফলনে একটা অনুকূল পরিবেশ গড়ে উঠবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন