কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে করোনা মহামারির সময় ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেয়। এতে হাজারো শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। কর্মহীন শ্রমিকেরা অর্ধাহারে-অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে অধিকাংশ শ্রমিক সম্পূর্ণ মজুরি না পেয়ে স্ত্রী-সন্তানদের মুখে খাবার দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

বক্তারা বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে করোনা মহামারির সময় ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেয়। এতে হাজারো শ্রমিক কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

বক্তাদের অভিযোগ, পাটকলসহ জনগণের সব রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট হচ্ছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। সরকার দোষীদের পাকড়াও করতে পারছে না। অথচ পাটকলশ্রমিকেরা তাঁদের ন্যায্য পাওনার জন্য রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করলে প্রশাসন দিয়ে হামলা-মামলা করানো হচ্ছে। নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।

বক্তারা চাকরিহারা ও ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পাটকলের শ্রমিকদের জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন প্রতিবেদন ২০১৫ অনুযায়ী প্রাপ্য বেতন, বকেয়া ছয়টি বিলসহ অন্যান্য পাওনা পরিশোধের দাবি জানান।

সড়ক অবরোধকালে সমাবেশ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন কারখানা কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির। বক্তব্য দেন পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের সদস্যসচিব এস এ রশীদ, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী, বাসদের জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের খুলনা জেলা সভাপতি আবদুল করিম, ছাত্র ফেডারেশন খুলনা মহানগর আহ্বায়ক আল আমিন শেখ প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন