বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগে খুলনায় করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ছিল খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল। গত জুন ও জুলাই মাসে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় ২০০ শয্যার ওই হাসপাতাল দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছিল না। এরপর খুলনা জেনারেল (সদর) হাসপাতাল ও পরে আবু নাসের হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালু করা হয়।

গত ২৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে চিঠি পাঠিয়ে ২৫০ শয্যা শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই নির্দেশের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব বিভাগীয় প্রধানকে নিয়ে বৈঠক করে ৪৫ শয্যার করোনা ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।

ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ৩ জুলাই আবু নাসের হাসপাতালে ৪৫ শয্যার করোনা ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়। ওই হাসপাতালে থাকা ১০টি আইসিইউ শয্যা অন্তর্ভুক্ত করা হয় ওই ইউনিটে। পুরো জুলাই মাস ও আগস্ট মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সব শয্যা রোগীতে পূর্ণ ছিল। ওই সময়ের পর থেকে রোগীর চাপ কমতে শুরু করে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ওই ইউনিটে মাত্র সাতজন করোনা রোগী ভর্তি ছিলেন। এর মধ্যে দুজন ছিলেন আইসিইউতে। ১৯ সেপ্টেম্বর রোগী ভর্তি ছিলেন চারজন। ওই দিনের পর করোনা রোগীদের জন্য ১০টি আইসিইউ শয্যা রেখে বাকি ৩৫টি সাধারণ শয্যা করোনা ইউনিট থেকে বাদ দেওয়া হয়। ২২ সেপ্টেম্বর সেখানে চারজন ভর্তি ছিলেন। ২৬ সেপ্টেম্বর একজন ভর্তি থাকলেও ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে রোগীশূন্য ছিল ইউনিটটি।

শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ছিলেন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বেশ কিছুদিন রোগীশূন্য থাকার পর ইউনিটটি আবার সাধারণ রোগীদের চিকিৎসায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। আগে সাধারণ ৩৫টি শয্যা ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। আর এখন আইসিইউ শয্যাগুলো ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। শয্যাগুলো জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলছে। সেটি হয়ে গেলেই সাধারণ রোগীদের সেখানে ভর্তি করা হবে।

খুলনা সদর হাসপাতালে করোনা ইউনিট বাদ দেওয়া হয়েছে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে। সেখানে এখন সাধারণ রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। আবু নাসের ও সদর হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও চালু আছে ২০০ শয্যার ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল। রোববার সকাল পর্যন্ত সেখানে ৪১ জন রোগী ভর্তি ছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন