বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোগী মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোয় কমেছে করোনা রোগীর চাপও। হাসপাতালগুলোয় এখন আইসিইউ ও এইচডিইউ বাদে বেশ কিছু শয্যা খালি আছে। অন্যদিকে, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ১৭ জুলাই থেকে সেখানে রোগী ভর্তি শুরু হয়।

খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৫৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৭৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা নমুনা পরীক্ষার তুলনায় ৩৬ শতাংশ। এর আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ২৪ শতাংশ।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের মুখপাত্র ও চিকিৎসক সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, আজ সকাল পর্যন্ত ২০০ শয্যার ওই হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছে ১৩৬ জন। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগী ৫৪ ও উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ৪৫ জন।

এ ছাড়া ওই হাসপাতালে থাকা ২০টি এইচডিইউতে রোগী ভর্তি আছে ১৭ জন। আর ২০টি আইসিইউ শয্যার কোনোটিই খালি নেই। হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় রেড জোনে ১৫ ও ইয়েলো জোনে ১৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৮ জন।

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট খুলনা সদর (জেনারেল) হাসপাতালে (৮০ শয্যার করোনা ইউনিট) বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন ৫২ জন। এই হাসপাতালের মুখপাত্র ও চিকিৎসক কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ওই হাসপাতালে ৬ জন নতুন করোনা রোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ জন।

শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের মুখপাত্র ও চিকিৎসক প্রকাশ চন্দ্র জানান, ১০টি আইসিইউসহ ৪৫ শয্যার করোনা ইউনিটে বর্তমানে রোগী ভর্তি রয়েছেন ৪২ জন। কোনো আইসিইউ শয্যা খালি নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৭ জন করোনা রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছেন ৫ জন।

বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। ১৫০ শয্যার করোনা ইউনিটে বর্তমানে রোগী ভর্তি আছে ৭৮ জন।

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) হামিদুল ইসলাম খান জানান, ৮৭ শয্যার করোনা ইউনিটে ৩ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে রোগী ভর্তি রয়েছে ৬৮ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন