বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বিবৃতিদাতারা বলেন, ‘নিজ বাড়িতে এই শিল্প বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন শশীভূষণ পাল। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে ১৯২৯ সালে নিজ বাড়িতেই চিত্রশিল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সুরম্য ভবন নির্মাণ করা হয়। এই ভবনটিতে দীর্ঘ সময় আর্ট স্কুলটির কার্যক্রম চলে। বর্তমানে ঐতিহ্যের স্মারক এ ভব ভেঙে ফেলার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আমরা ফেসিলিটিজ অধিদপ্তরের এহেন দায়িত্বজ্ঞানহীন ঐতিহ্য ও ইতিহাস ধ্বংসের কর্মকাণ্ডে বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ। ভবনটি ঘিরে প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় গড়ে উঠেছে। ১৯৭৪ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ও কবি জসীমউদ্‌দীন এই প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশের প্রথম অঙ্কনশিল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানর মর্যাদা দিয়েছিলেন। শিল্পী সুলতান নানা সময়ে এ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন।’

১৯৮৩ সালে আর্ট স্কুলটি খুলনা শহরে স্থানান্তরিত হয়ে খুলনা আর্ট কলেজ ও বর্তমানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে খুলনা আর্ট ইনস্টিটিউট হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গত শতকে শশীভূষণ পাল নামে একজন শিল্পপ্রেমী মানুষ তাঁর নিজ বাড়িতে বাংলাদেশের প্রথম চিত্রশিল্প বিদ্যালয় স্থাপন করে যে নজির স্থাপন করেছিলেন, তা আমাদের ইতিহাসের গৌরবের অধ্যায়! নিজ বাড়িতে নিজস্ব চেষ্টায় যে সুরম্য ভবন তৈরি করেছেন, তা আমাদের ঐতিহ্যের স্মারক!’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই স্মারক ভেঙে ফেলার অর্থ হচ্ছে নিজ গৌরবের ইতিহাস থেকে বাংলাদেশকে এবং দেশের জনগণকে বিচ্ছিন্ন করা। আমরা এহেন অপ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সাথে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে এ ভবন রক্ষা করে তা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে “শশীভূষণ পাল চিত্রশিল্প জাদুঘর”-এ রূপ দেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

বিবৃতিদাতারা হলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, সৈয়দ হাসান ইমাম, অনুপম সেন, রামেন্দু মজুমদার, ফেরদৌসী মজুমদার, সারওয়ার আলী, আবেদ খান, সেলিনা হোসেন, লায়লা হাসান, আবদুস সেলিম, মফিদুল হক, শফি আহমেদ, শাহরিয়ার কবির, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, মুনতাসীর মামুন, সারা যাকের ও শিমূল ইউসুফ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন