বিজ্ঞাপন

তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, গত এক সপ্তাহ খুলনার কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করে সংক্রমণ প্রতিরোধে কোনো ভালো ফল পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে সমগ্র জেলায় বিধিনিষেধ আরোপ ও তা বাস্তবায়ন করতে না পারলে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকানো যাবে না। তিনি রাস্তাঘাটে অযথা জটলা করে আড্ডা দেওয়া ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালনের জন্য খুলনা পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় জানানো হয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আরটি পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে প্রতিদিন পাঁচ শ রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। সভায় আরও জানানো হয়, স্বাস্থ্যবিধি মানাতে গত সাত দিনে ২২৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫৪৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মাদ ইসমাঈল হোসেন ভিডিও কনফারেন্সে বলেন, সাতক্ষীরার প্রভাব খুলনায় এসে পৌঁছেছে। আম ও বন্দরের মালামাল আনা–নেওয়ায় সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। কুষ্টিয়ায় বিধিনিষেধ চলছে। সেখানে সংক্রমণ ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। যশোরে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বাড়ছে। সেখানে বিধিনিষেধ চলছে। বাগেরহাটের মোংলায় লকডাউন চলছে।

৪ জুন থেকে খুলনা নগরের সদর, সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানা এবং পাশের রূপসা উপজেলায় এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। বিধিনিষেধ শেষ হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার। এ ছাড়া পাইকগাছা পৌরসভা ও ফুলতলা উপজেলায় চলছে এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ। এরই মধ্যে শুক্রবার খুলনাজুড়ে এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মো. মাহবুব আলম প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন