বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস, সোহেল রানা, আরিফুর রহমান, বিকাশ চন্দ্র মণ্ডল, এস এম এরশাদ ও ফজলুর রহমান ফকির। এর মধ্যে বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাসকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড, সোহেল রানাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও আরিফুর রহমানকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ওই তিন আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়। এর মধ্যে আরিফুর রহমানকে জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিকাশ চন্দ্র মণ্ডল, এরশাদ ও ফজলুর রহমানকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১১ আগস্ট রাতভর অভিযান চালিয়ে খুলনা মহানগর ও দাকোপ উপজেলা থেকে সোয়া দুই কেজি কোকেন উদ্ধার করে খুলনা র‍্যাব-৬। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে র‍্যাবের পক্ষ থেকে রূপসা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। উদ্ধার করা কোকেনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে ওই সময় র‍্যাব জানিয়েছিল। ওই সময় খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ছিলেন মো. আবুল হোসেন। তিনি উদ্ধার হওয়া মাদক যে কোকেন তা নিশ্চিত করেন।

ওই ঘটনায় র‍্যাব-৬–এর তৎকালীন ডিএডি রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন র‍্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বজলুর রশীদ ওই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় মোট ২৭ জনের মধ্যে ২৪ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন