বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির এজাজ খান, মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আলম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল মান্নান মিস্ত্রি, বিএনপি নেতা শফিকুল আলম, মনিরুল হাসান, আবু মুসা গাজী, হেমায়েত হোসেন, মিসেস সেতারা, নিঘাত সীমা, মামসুন নাহার, আমিন আহমেদ, ফিরোজ খান, খান জিয়াউর রহমানের নাম জানা গেছে। এর মধ্যে ফখরুল আলম ও আবদুল মান্নান মিস্ত্রির আঘাত গুরুতর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংঘর্ষের সময় কে ডি ঘোষ রোড, হেলাতলা ও বড় বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
default-image

বিএনপির নেতারা বলেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। তখন থেকে ওই দিনকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি। ওই দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। খুলনা মহানগর এবং জেলা বিএনপিও যৌথভাবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে একই কর্মসূচি পালন করছিল। কিন্তু অনুমতি নেই দাবি করে হঠাৎ ওই কর্মসূচিতে লাঠিপেটা শুরু করে পুলিশ। পুলিশের লাঠিপেটায় সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে লেডি ঘোষ রোডে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, সড়ক বন্ধ করে বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছিল। অনুমতি না থাকায় তা বন্ধ করতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তা না শুনে পুলিশের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করায় তাদের সেখান থেকে জোর করে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সামান্য লাঠিপেটার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশকে লক্ষ্য করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন