বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্র জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে কাশিমপুর কারাগার থেকে মামুনুলকে খুলনা জেলা কারাগারে আনা হয়। সকালে খুলনা জেলা কারাগার থেকে মামুনুল হককে আদালতে আনা হয়। এ সময় আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা নেওয়া হয়।

আদালতে দাখিলকৃত মামলার অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সোয়া চারটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাতিল, গ্রেপ্তারকৃত যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে জামায়েতে ইসলামী, বিএনপি, হেফাজতে ইসলামসহ ১২টি দল মিছিল বের করে। হাজারখানেক মানুষের মিছিলটি খুলনা নগরের ডাকবাংলা ও ময়লাপোঁতা মোড় হয়ে শিববাড়ি মোড়ে গণজাগরণ মঞ্চের দিকে যাচ্ছিল। ফুজি কালার ল্যাবের সামনে পৌঁছালে মিছিলটি পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মিছিলের মধ্য থেকে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২০টি ফাঁকা গুলি করে। নিক্ষিপ্ত বোমার আঘাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে সেখান থেকে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। এ ব্যাপারে সোনাডাঙ্গা থানায় খুলনা মহানগর ইমাম পরিষদের কয়েকজন নেতা, হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকসহ ২৬ জনের নামে মামলা হয়। মামলার বাদী ছিলেন সোনাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর কবীর। ২০১৫ সালের ২১ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোক্তার হোসেন মোট ১০৭ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনার আগের দিন ময়লাপোঁতা মসজিদ মোড়ে ওয়াজ করার সময় মামুনুল হকসহ অন্যরা সংগঠিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও গণজাগরণ মঞ্চ ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুসারীদের নির্দেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন