বিজ্ঞাপন

পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাকিব হাসান বলেন, করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য পরিষ্কার করছেন তাঁরা। অথচ পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। বর্জ্য অপসারণের সময় গ্লাভস, মাস্ক, বুট জুতা, হেলমেট ব্যবহার করার কথা থাকলেও তাঁদের কিছুই নেই। তাঁরা শুনেছেন, এসব বরাদ্দ হয়েছিল, কিন্তু তাঁদের দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বেতন না পেয়ে তাঁরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মুদি দোকানিরা আর বাকি দিতে চাইছেন না। বাড়িওয়ালারাও ভাড়ার টাকার জন্য তাগিদ দিচ্ছেন। এতে তাঁরা বিপাকে আছেন।

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের ভাষ্য, ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে কেসিসির আউটসোর্সিংয়ে চাকরিতে যোগদান করেন তাঁরা। কয়েক মাস সঠিকভাবে বেতন পেলেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত বেতন পাননি। একে লকডাউন, সেই সঙ্গে সামনে ঈদ। এ সময় টাকা না পেলে তাঁরা না খেয়ে মরবেন।

আউটসোর্সিং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তত্ত্বাবধায়ক হাফিজুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের হাজিরাসংক্রান্ত একটি জটিলতার কারণে মেয়র তদন্ত কমিটি করেছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে মেয়রকে দেওয়া হয়েছে। দেওয়ার পরের দিন তিনি অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চলে যান। তিনি খুলনায় এলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তদন্তে কেন এত দীর্ঘ সময় লাগল, এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি তত্ত্বাবধায়ক হাফিজুল ইসলাম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন