বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন, ভুক্তভোগীর পরিবার ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রীতিকাম গাইন এসএসসি পাস। তিনি বিভিন্ন এলাকায় জায়গির থেকে বাচ্চাদের পড়াতেন। দাকোপ ইউনিয়নের ওই গ্রামে তিন বছর ধরে তিনি শিশুদের পড়ান। এর আগেও তিনি ওই গ্রামে থেকে বাচ্চাদের পড়াতেন। এলাকার রীতি অনুয়ায়ী এ ধরনের শিক্ষককে পাঠশালার শিক্ষক বলা হয়। তাঁরা স্থানীয় অভিভাবকদের বাড়িতে পালা করে থাকেন ও খান।

চলতি বছরও স্থানীয় ১০-১৫ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি ক্লাবঘরে পড়াতেন তিনি। সুযোগ পেলে তিনি ভুক্তভোগী শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করতেন। তবে ভয়ে শিশুটি কাউকে তা বলেনি। শিশুটির বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বড় বোন নিপীড়নের ঘটনা দেখে ফেলায় তা জানাজানি হয়। বড় বোনও ওই শিক্ষকের নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্য শিশুদের সঙ্গেও ওই শিক্ষক সুযোগ বুঝে একই ধরনের আচরণ করতেন বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ।

দাকোপ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ওই জায়গির শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটি জবানবন্দি দিয়েছে।

আশরাফুল আলম আরও বলেন, ওই এলাকার কয়েকজন অভিভাবক মৌখিকভাবে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তাঁদের শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নের একই রকম অভিযোগ করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন