বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিএনপি নেতা আবু হাসনাত, খলিলুর রহমান, জামাল হাওলাদার, আজিজুল করিম, মো. আলী, আবুল হক (শুভ), জাহান আলী, মুজিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান, হেলাল শেখ, মিরাজ হাওলাদার, ইসমাইল হোসেন, এম এ সালাম, কালাম হোসেন, আরিফ হোসেন, বাবুল হাওলাদার প্রমুখ। সবার শেষে নাম রয়েছে নজরুল ইসলামের। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুটি ধারায় ওই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর খুলনা সদর থানায় ওই নাশকতার মামলা করা হয়। মামলায় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অরাজকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার অভিযোগ করা হয়।

২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর খুলনা সদর থানায় ওই নাশকতার মামলা করা হয়। মামলায় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অরাজকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ও শহীদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত যুক্তফ্রন্টের জনসভায় আসা নেতা-কর্মীর গাড়িতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ করা হয়। ওই মামলার বাদী খুলনা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এসআই গোপীনাথ সরকার। ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছিলেন।

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগমুহূর্তে ঢাকা থেকে আবু হাসনাত ও খলিলুর রহমান নামের দুই বিএনপি নেতা খুলনায় আসেন প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্য নিতে। জেলিকো হোটেলে অবস্থান করে তাঁরা তথ্য নিচ্ছিলেন। ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁদের সেখান থেকে আটক করে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ তুলে সদর থানায় মামলা দেওয়া হয়। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন ওই দুজন। আর অজ্ঞাত আসামি ছিলেন বেশ কয়েকজন। পরে নির্বাচনের সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতাকে আটক করে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আর অভিযোগপত্র দেওয়ার সময় তাঁর (নজরুল ইসলাম) নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম মওলা বলেন, এটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে সাজানো একটি মামলা। এ মামলা সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন