বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে কৃষি উৎপাদনের সম্ভাবনা অনেক। ইতিমধ্যে দেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা ধান, ডাল, তরমুজ, আলু, ভুট্টা, বার্লি, সূর্যমুখী, শাকসবজিসহ অনেক ফসলের লবণাক্তসহিষ্ণু উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছেন। এসব জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি উপকূলবর্তী এলাকার চাষিদের মধ্যে দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে রোডম্যাপ তৈরির কাজ চলছে।

চাষিরা এসব ফসলের চাষ করলে দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত এলাকায় নতুন করে কৃষিবিপ্লব ঘটবে। এ এলাকার মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়বে ও মানুষের জীবনযাত্রার মানের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুর রাজ্জাক।

এদিকে পরিদর্শনকালে স্থানীয় সাংসদ নায়ায়ণ চন্দ্র চন্দ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব ওয়াহিদা আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, বিএডিসির চেয়ারম্যান অমিতাভ সরকার, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে উপকূলীয় এলাকায় মোট জমির পরিমাণ ২৮ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর, এর মধ্যে চাষযোগ্য ২১ লাখ ৬২ হাজার হেক্টর। আর লবণাক্ত এলাকার পরিমাণ ১০ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর। এ ছাড়া লবণ পানির ভয়াবহতার কারণে প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে উপকূলীয় এলাকায় পাঁচ লক্ষাধিক হেক্টর জমি অনাবাদি থাকে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন