গতকাল সোমবার সকাল আটটা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত খুলনা বিভাগে আরটি-পিসিআর ও র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে মোট ১ হাজার ২৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ সময় জিন এক্সপার্ট মেশিনে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে ৬২৮টি নমুনা কম পরীক্ষা হয়েছে। শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ৫২।

বিভাগে এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৮৯৯ জনের। এর মধ্যে খুলনায় ২৭ হাজার ২৭৪ জন, যশোরে ২১ হাজার ১২৪ জন এবং কুষ্টিয়ায় ১৭ হাজার ৬৮৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সবচেয়ে কম মাগুরায় ৪ হাজার ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

১০ জেলায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৯৭ হাজার ৩৯৪ জন। শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৪৪।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিভাগে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও প্রতিদিন কমছে। আজ মঙ্গলবার বাসা ও হাসপাতাল মিলিয়ে বিভাগের ১০ জেলায় করোনা রোগী ৮ হাজার ৪৯৭ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৪৫৯ জন, বাকিরা বাসায় আইসোলেশনে আছেন।

বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩ হাজার ৮। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ। করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ১৪ জনের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ৭, যশোরে ৪ এবং খুলনা, মাগুরা ও ঝিনাইদহে একজন করে রয়েছেন।

বিভাগের মধ্যে খুলনায় করোনায় সর্বোচ্চ ৭৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু কুষ্টিয়ায় ৭৩১ জনের। এ ছাড়া যশোরে ৪৬১, ঝিনাইদহে ২৬১, চুয়াডাঙ্গায় ১৮৭, মেহেরপুরে ১৭৮, বাগেরহাটে ১৪০, নড়াইলে ১১৩, সাতক্ষীরায় ৮৮ ও মাগুরায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ কুষ্টিয়ায় ৪৫ জন। এ ছাড়া খুলনায় ৪০, ঝিনাইদহে ১১, যশোরে ১৭, নড়াইলে ৯, বাগেরহাটে ৯, মাগুরায় ২, সাতক্ষীরায় ৭ ও মেহেরপুরে ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময় চুয়াডাঙ্গায় কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন