বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৯৫১টি, জিন এক্সপার্টে ৯৬টি ও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ৩ হাজার ২৬০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে ৩ হাজার ৩৮০টি নমুনা পরীক্ষা বেশি হয়েছে। আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ২৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
বিভাগে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৩ হাজার ৩২৩ জন। সুস্থতার হার প্রায় ৬৬ শতাংশ। বর্তমানে করোনা রোগী রয়েছেন ২৬ হাজার ২০৩ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ১৫১ জন। বাকিরা বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় শনাক্ত হয়েছেন সর্বোচ্চ ৩৯৪ জন। এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় ২০৫, যশোরে ১৫৩, বাগেরহাটে ১০২, সাতক্ষীরায় ১০১, নড়াইলে ৩৭, মাগুরায় ৫৯, চুয়াডাঙ্গায় ১২৬, ঝিনাইদহে ৮৭ ও মেহেরপুরে ৮১ জন।


বিভাগে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮১ হাজার ৪২১ জনের। শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২১ হাজার ২২৫ জনের। এ ছাড়া যশোরে ১৬ হাজার ৯৯৯, কুষ্টিয়ায় ১১ হাজার ৯৬৬, ঝিনাইদহে ৬ হাজার ৩৬২, বাগেরহাটে ৫ হাজার ৩১৭, চুয়াডাঙ্গায় ৫ হাজার ৩৩৫, সাতক্ষীরায় ৪ হাজার ৯৩৬ জন, নড়াইলে ৩ হাজার ৭১৩, মেহেরপুরে ৩ হাজার ৬৪ ও মাগুরায় ২ হাজার ৫০৪ জন আছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৮৯৫। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৫১ জনের মধ্যে খুলনায় ১৯ জন, কুষ্টিয়ায় ১৪ জন, যশোরে ৬ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৫, বাগেরহাটে ৩ জন এবং ঝিনাইদহ, মাগুরা, মেহেরপুর ও সাতক্ষীরায় ১ জন করে রয়েছেন।

বিভাগে খুলনা জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৪০৯ জনের। এ ছাড়া যশোরে মারা গেছেন ২৬৯ জন, ঝিনাইদহে ১৬৩, চুয়াডাঙ্গায় ১৪২, বাগেরহাটে ১০৯, মেহেরপুরে ৯৬, সাতক্ষীরায় ৮১, নড়াইলে ৭৫ ও মাগুরায় ৪৫ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন