বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ২ হাজার ৬৩টি, জিন এক্সপার্টে ১০২টি ও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনে ২ হাজার ৬২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে ১৬০টি নমুনা পরীক্ষা বেশি হয়েছে। আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ২৫ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বিভাগে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৫৪ জন। সুস্থতার হার ৬৭ শতাংশ। বর্তমানে করোনা রোগী রয়েছেন ২৫ হাজার ৬৩৬ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ১০২ জন। বাকিরা বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় সর্বোচ্চ ৪২১ জন রয়েছেন। এ ছাড়া খুলনায় ২৭৪, যশোরে ১৬৫ জন, বাগেরহাটে ৬১, সাতক্ষীরায় ৮২, নড়াইলে ২৮, মাগুরায় ৬৪, চুয়াডাঙ্গায় ৭৯, ঝিনাইদহে ৭২ ও মেহেরপুরে ১৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
বিভাগে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৩ হাজার ৯৮০ জনের। শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৭১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া যশোরে ১৭ হাজার ৩৭৮, কুষ্টিয়ায় ১২ হাজার ৫৯১, ঝিনাইদহে ৬ হাজার ৫৭৬, বাগেরহাটে ৫ হাজার ৪৪৮, চুয়াডাঙ্গায় ৫ হাজার ৫১৪, সাতক্ষীরায় ৫ হাজার ১০৫, নড়াইলে ৩ হাজার ৭৮০, মেহেরপুরে ৩ হাজার ২৬৮ ও মাগুরায় ২ হাজার ৬০৮ জন আছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৯৯০। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৪৩ জনের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১০, খুলনায় ৯, যশোরে ৮, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও নড়াইলে ৪ জন করে, ঝিনাইদহে ২ জন, বাগেরহাট ও মাগুরায় ১ জন করে রয়েছেন।

বিভাগে খুলনা জেলায় করোনায় সর্বোচ্চ ৫২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৪৩৩ জনের। এ ছাড়া যশোরে ২৮৮, ঝিনাইদহে ১৬৮, চুয়াডাঙ্গায় ১৪৬, বাগেরহাটে ১১২, মেহেরপুরে ১০৫, সাতক্ষীরায় ৮২, নড়াইলে ৮১ ও মাগুরায় ৪৮ জন মারা গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন