বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে আরটি-পিসিআর, জিন এক্সপার্ট ও র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন—এই তিন প্রক্রিয়ায় মোট ৪ হাজার ৪৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৪০। আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে ১ হাজার ৭২২টি নমুনা বেশি পরীক্ষা হয়েছে। আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ২২ দশমিক ৩০।

বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২ হাজার ৬৮১। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৬৭। করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ২৪ জনের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১০ জন, যশোরে ৫ জন, খুলনায় ৩ জন, বাগেরহাট ও ঝিনাইদহে ২ জন করে, চুয়াডাঙ্গায় ও সাতক্ষীরায় একজন করে আছেন।

বিভাগের মধ্যে খুলনায় করোনায় সর্বোচ্চ ৬৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু কুষ্টিয়ায়, ৬৪০ জনের। এ ছাড়া যশোরে ৪০১, ঝিনাইদহে ২২৮, চুয়াডাঙ্গায় ১৭৮, মেহেরপুরে ১৫৯, বাগেরহাটে ১৩৩, নড়াইলে ৯৮, সাতক্ষীরায় ৮৬ ও মাগুরায় ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নতুন করে করোনা শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ খুলনায় ১৯৬ জন। এ ছাড়া বাগেরহাটে ১৫৩, যশোরে ১৪৩, কুষ্টিয়ায় ১৪১, ঝিনাইদহে ৮৮, সাতক্ষীরায় ৬৩, চুয়াডাঙ্গায় ৪৭, মেহেরপুরে ৩৭ জন, মাগুরায় ২৯ ও নড়াইলে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

বিভাগে এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৪০৫ জনের। সংখ্যা বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এখানে ২৫ হাজার ১০৬ জনের করোনা হয়েছে। যশোরে ১৯ হাজার ৮৭৬ জনের, কুষ্টিয়ায় ১৫ হাজার ৯৪৮ জনের, ঝিনাইদহে ৮ হাজার ২৪৩ জনের, বাগেরহাটে ৬ হাজার ৫৪৮ জনের, চুয়াডাঙ্গায় ৬ হাজার ৩৬১ জনের, সাতক্ষীরায় ৬ হাজার ১২৮ জনের, নড়াইলে ৪ হাজার ৪১০ জনের, মেহেরপুরে ৪ হাজার ২৫৯ জনের এবং মাগুরায় ৩ হাজার ৫২৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন