বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৫৮৮টি এবং র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ৩৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। জিন এক্সপার্টে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। আগের দিনের চেয়ে ৩ হাজার ৩০২টি নমুনা পরীক্ষা কম হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা জেলায় শনাক্ত হয়েছেন সর্বোচ্চ ২০১ জন। এ ছাড়া যশোর জেলায় ১০৮ জন, কুষ্টিয়ায় ৮৮ জন, বাগেরহাটে ২৪ জন, সাতক্ষীরায় ৩৩ জন, নড়াইলে ৯ জন, মাগুরায় ২ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৪৪ জন এবং মেহেরপুরে ৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময় ঝিনাইদহে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি, তাই শনাক্ত নেই।

বিভাগে করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৪০ জনের মধ্যে খুলনায় ও যশোরে ১০ জন করে, কুষ্টিয়ায় ৮ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৫ জন, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে ৩ জন করে এবং মাগুরায় ১ জন রয়েছেন।

খুলনা বিভাগে টানা ছয় দিন পর শনাক্তের সংখ্যা হাজারের নিচে নেমেছে। শনিবার এলেই শনাক্তের সংখ্যা হাজারের নিচে নামছে। চলতি মাসের তিনটি শনিবারেই এ ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ১০ জুলাই বিভাগে ২ হাজার ২৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৭২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। ৩ জুলাই ১ হাজার ৬০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। প্রতি শুক্রবার ছুটির দিনে নমুনা পরীক্ষা কম হওয়াই পরদিনের প্রতিবেদনে শনাক্ত কমার কারণ বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্র জানিয়েছে।

বিভাগে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫১ হাজার ৬৬৫ জন। সুস্থতার হার প্রায় ৬৫ শতাংশ। বর্তমানে করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৬ হাজার ৫৬৭ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ১৯৫ জন। বাকিরা বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিভাগে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮০ হাজার ৭৬ জনের। শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ৮৩১ জনের। এ ছাড়া যশোরে শনাক্ত ১৬ হাজার ৮৪৬ জন, কুষ্টিয়ায় ১১ হাজার ৭৬১ জন, ঝিনাইদহে ৬ হাজার ২৭৫ জন, বাগেরহাটে ৫ হাজার ২১৫ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৫ হাজার ২০৯ জন, সাতক্ষীরায় ৪ হাজার ৮৩৫ জন, নড়াইলে ৩ হাজার ৬৭৬ জন, মেহেরপুরে ২ হাজার ৯৮৩ জন এবং মাগুরায় মোট ২ হাজার ৪৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৪০ জনের মধ্যে খুলনায় ও যশোরে ১০ জন করে, কুষ্টিয়ায় ৮ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৫ জন, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে ৩ জন করে এবং মাগুরায় ১ জন রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪৪। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৩ শতাংশ। এর মধ্যে খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ৪৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায়, ৩৯৫ জনের। এ ছাড়া যশোরে মারা গেছেন ২৬৩ জন, ঝিনাইদহে ১৬২ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১৩৭ জন, বাগেরহাটে ১০৬ জন, মেহেরপুরে ৯৫ জন, সাতক্ষীরায় ৮০ জন, নড়াইলে ৭৫ জন এবং মাগুরায় ৪৪ জন মারা গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন