বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ায় দুজন ও যশোরে একজন মারা যাওয়ায় বিভাগে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৩ হাজার ১৩৭। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৮ শতাংশ। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় সর্বোচ্চ ৭৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৭৬৯ জন। এ ছাড়া যশোরে ৪৯২, ঝিনাইদহে ২৬৬, চুয়াডাঙ্গায় ১৮৯, মেহেরপুরে ১৮১, বাগেরহাটে ১৪৪, নড়াইলে ১২১, মাগুরায় ৯০ ও সাতক্ষীরায় ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে নতুন করোনা শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ রোগী কুষ্টিয়ায় ১৭ জন। এ ছাড়া যশোরে ২, খুলনায় ৪, মাগুরায় ২, ঝিনাইদহে ১৩, বাগেরহাটে ৭, চুয়াডাঙ্গায় ৩, নড়াইলে ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময় মেহেরপুর ও সাতক্ষীরায় কারও করোনা শনাক্ত হয়নি।

খুলনা বিভাগে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় ৫ লাখ ২০ হাজার ৬০৮টি নমুনা পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ১২ হাজার ২০২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৭৫৮ জন। সুস্থতার হার ৯৫ দশমিক ১৫ শতাংশ।

শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে খুলনা। সেখানে ২৭ হাজার ৮৬৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সবচেয়ে কম মাগুরায়, শনাক্তের সংখ্যা ৪ হাজার ১৪৯।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ বাসা ও হাসপাতাল মিলিয়ে বিভাগের ১০ জেলায় করোনা রোগী ২ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে ১৯৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, বাকিরা বাসায় রয়েছেন।

স্বস্তির সেপ্টেম্বর
খুলনা বিভাগে গত বছরের ১৯ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায়। এরপর বাড়া–কমার মধ্য দিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলছিল। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত পরিস্থিতি উন্নতির দিকে ছিল। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিলের শুরু থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকে।

জুনে শনাক্তের রেকর্ড কয়েক দফায় ভেঙে যায়। তবে করোনায় সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে জুলাই মাস ছিল ভয়ংকরতম। জুলাই মাসে ৩৬ হাজার ৬৫৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়, সুস্থ হন ৩০ হাজার ৩৮৫ জন। আর ওই সময়ে মারা যান ১ হাজার ৩১৮ জন। এরপর আগস্ট থেকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে থাকে।

হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কমতে শুরু করে। তারপরও আগস্ট মাসে ১৫ হাজার ৯৬৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়, সুস্থ হন ২৮ হাজার ৬০৮ জন। ওই মাসে করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা যান ৬২০ জন। তবে সেপ্টেম্বরে করোনা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। সংক্রমণ শনাক্তের হার বেশির ভাগ সময় তিন থেকে আটের মধ্যে ছিল। সেপ্টেম্বর মাসে মাত্র ৩ হাজার ২৫৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই সময় সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ২৪৯ জন আর মারা গেছেন ১২৬ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন