বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় আগের সময়ের চেয়ে দুটি নমুনা বেশি পরীক্ষা হয়েছে। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৮৫। ওই সময়ে বিভাগে করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। শেষ ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে শনাক্ত ও শনাক্তের হার খুব সামান্য বেড়েছে, তবে মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হন গত বছরের ১৯ মার্চ চুয়াডাঙ্গায়। গত ৯ জুলাই এক দিনে সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৮৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ১০ জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের পর সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৭৯১ জন। সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৫৯।

শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে খুলনা। সেখানে ২৭ হাজার ৮১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সবচেয়ে কম মাগুরায় ৪ হাজার ১৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

বিভাগে মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ১২৪। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৭৯। খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ৭৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৭৬৩ জন। এ ছাড়া যশোরে ৪৮৮, ঝিনাইদহে ২৬৫, চুয়াডাঙ্গায় ১৮৯, মেহেরপুরে ১৮১, বাগেরহাটে ১৪৪, নড়াইলে ১২১, মাগুরায় ৯০ ও সাতক্ষীরায় ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে নতুন করোনা শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ কুষ্টিয়ায় ২৫ জন। এ ছাড়া ঝিনাইদহে ২, বাগেরহাটে ৪, মেহেরপুরে ১, মাগুরায় ১, যশোরে ৬, খুলনায় ৮ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৪ ও সাতক্ষীরায় ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে নড়াইলে কারও করোনা শনাক্ত হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ বাসা ও হাসপাতাল মিলিয়ে বিভাগের ১০ জেলায় করোনা রোগী ২ হাজার ৯৩০ জন। এর মধ্যে ২২২ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, বাকিরা বাসায় রয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন