বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তথ্য–উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ডেঙ্গু শনাক্তের সংখ্যা ১০০ ছাড়াতে সময় লেগেছিল ২৪১ দিন। পরের ১০০ ছাড়িয়েছে ২১ দিনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সব মিলিয়ে বিভাগে বর্তমানে ২১ জন ডেঙ্গু নিয়ে চিকিৎসাধীন। ২১ জনের মধ্যে খুলনার হাসপাতালে ৪ জন, যশোরে ৮, কুষ্টিয়ায় ৩, ঝিনাইদহ ও নড়াইলে ২ জন করে এবং বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় ১ জন করে ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন।

চলতি বছর খুলনা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। যশোরের হাসপাতালে সমানসংখ্যক ৫৮ জন চিকিৎসা নিয়েছে, নড়াইলে চিকিৎসা নিয়েছে ২২ জন। এ বছর ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৭৭ জন হাসপাতাল ছেড়েছে। খুমেক হাসপাতালে ও যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন করে মারা যায়। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ও বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ২০১৯ সালে খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল রেকর্ডসংখ্যক। ওই বছর বিভাগে ১১ হাজার ৪৭৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় এবং মৃত্যু হয় ৩৯ জনের। একই বছর খুলনা জেলায় ২ হাজার ৯৫ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলেও মারা যায় ২৬ জন। এদিকে গত বছর বিভাগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় ১০৪ জন, এর মধ্যে মারা গেছে ১ জন।

খুলনা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও হাসপাতালের ডেঙ্গু ইউনিটের মুখপাত্র উৎপল কুমার চন্দ প্রথম আলোকে বলেন, খুমেক হাসপাতালে আপাতত ১০ শয্যার ডেঙ্গু ইউনিট খোলা আছে। বর্তমানে হাসপাতালে ডেঙ্গু ইউনিটে চারজন চিকিৎসাধীন। এ সময় কারও জ্বর হলে দেরি না করে কোভিড ও ডেঙ্গু দুটি পরীক্ষাই করিয়ে নিতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন