বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৯০৩টি, জিন এক্সপার্টে ৮১টি এবং র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ৩ হাজার ২৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে ৩১১টি নমুনা পরীক্ষা কম হয়েছে। বিভাগের মধ্যে শনাক্তের সর্বোচ্চ হার নড়াইল জেলায় ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর শনাক্তের সর্বনিম্ন হার সাতক্ষীরা জেলায় ২০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বিভাগের মধ্যে শনাক্তের সর্বোচ্চ হার নড়াইল জেলায় ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর শনাক্তের সর্বনিম্ন হার সাতক্ষীরা জেলায় ২০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যশোরে শনাক্ত হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জন। এ ছাড়া খুলনায় শনাক্ত হয়েছেন ৩২০ জন, কুষ্টিয়ায় ২৯১ জন, বাগেরহাটে ৯৯ জন, সাতক্ষীরায় ৯১ জন, নড়াইলে ২৫ জন, মাগুরায় ৮১ জন, ঝিনাইদহে ১০৮ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১৩৬ জন এবং মেহেরপুরে ৭২ জন শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৪৮ জনের মধ্যে খুলনা জেলায় রয়েছেন ১৪ জন, যশোরে ১০ জন, কুষ্টিয়ায় ৯ জন, ঝিনাইদহে ৫ জন, মেহেরপুর ও নড়াইলে ৩ জন করে, চুয়াডাঙ্গায় ২ জন, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় ১ জন করে রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৮৯। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ২৬ শতাংশ। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৮ হাজার ১১১ জন। সুস্থতার হার ৬৪ শতাংশ। বিভাগে বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২৪ হাজার ৯৮০। এর মধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ২৯৬ জন। বাকিরা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিভাগে করোনায় এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৩৫৯ জনের। এ ছাড়া যশোরে মারা গেছেন ২৪০ জন, ঝিনাইদহে ১৪৬ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১২৬ জন, বাগেরহাটে ১০৩ জন, মেহেরপুরে ৮৩ জন, সাতক্ষীরায় ৭৮ জন, নড়াইলে ৭১ জন ও মাগুরায় ৪০ জন মারা গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন