বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ২ হাজার ১৪৮টি, জিন এক্সপার্টে ১১২টি ও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ২ হাজার ৯৬৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে ২৬৩টি নমুনা পরীক্ষা কম হয়েছে।

বিভাগে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫০ হাজার ৭১১ জন। সুস্থতার হার প্রায় ৬৪ শতাংশ। বর্তমানে করোনা রোগী রয়েছেন ২৭ হাজার ২২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ১৭৩ জন। বাকিরা বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় শনাক্ত হয়েছেন সর্বোচ্চ ৩৪৮ জন। এ ছাড়া ঝিনাইদহে ২৩৬, কুষ্টিয়ায় ২০৩, যশোরে ২৩৪, বাগেরহাটে ৮৮, সাতক্ষীরায় ৮৯, নড়াইলে ৪৩, মাগুরায় ৯৬, চুয়াডাঙ্গায় ১১০ ও মেহেরপুরে ৫০ জন।

বিভাগে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৯ হাজার ৫৩৭ জনের। শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ৬৩০ জনের।

এ ছাড়া যশোরে ১৬ হাজার ৭৩৮, কুষ্টিয়ায় ১১ হাজার ৬৭৩, ঝিনাইদহে ৬ হাজার ২৭৫, বাগেরহাটে ৫ হাজার ১৯১, চুয়াডাঙ্গায় ৫ হাজার ১৬৫, সাতক্ষীরায় ৪ হাজার ৮০২ জন, নড়াইলে ৩ হাজার ৬৬৭, মেহেরপুরে ২ হাজার ৯৫৩ ও মাগুরায় ২ হাজার ৪৪৩ জন আছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৮০৪। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৩২ জনের মধ্যে খুলনায় ৯, কুষ্টিয়ায় ৭, যশোর ও মেহেরপুরে ৪ জন করে, নড়াইলে ৩, বাগেরহাট ও ঝিনাইদহে ২ জন করে এবং চুয়াডাঙ্গায় ১ জন।

বিভাগে খুলনা জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৩৮৭ জনের। এ ছাড়া যশোরে মারা গেছেন ২৫৩ জন, ঝিনাইদহে ১৫৯, চুয়াডাঙ্গায় ১৩২, বাগেরহাটে ১০৬, মেহেরপুরে ৯২, সাতক্ষীরায় ৮০, নড়াইলে ৭৫ ও মাগুরায় ৪৩ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন