বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, খুলনা বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায়, গত বছরের ১৯ মার্চ। গত বছরের ৩ জুলাই রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার অতিক্রম করে। ২৩ জুলাই শনাক্তের সংখ্যা ১০ হাজার, ১২ আগস্ট রোগী ১৫ হাজার ছাড়ায়। এরপর চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ২৫ হাজার, ৩ জুন ৩৫ হাজার, ২০ জুন ৪৫ হাজার এবং ২৫ জুন ৫০ হাজার, ১৪ জুলাই ৭৫ হাজার, ১৭ জুলাই ৮০ হাজার ছাড়ায়। আজ ২২ জুলাই শনাক্ত ৮৫ হাজার ছাড়াল।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরটিপিসিআর ল্যাবে ৭০০ এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ২৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ৯৪২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৬১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭২৩ জন। এ নিয়ে বিভাগে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৮ হাজার ১৩৫ জন। সুস্থতার হার ৬৮ শতাংশ। বর্তমানে করোনা রোগী রয়েছেন ২৪ হাজার ৯৭৬ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৯৬০ জন। বাকিরা বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় সর্বোচ্চ ৭২ জন রয়েছেন। এ ছাড়া বাগেরহাটে ১ জন, যশোরে ৩৫ জন, ঝিনাইদহে ৮ জন, কুষ্টিয়ায় ২১, মেহেরপুরে ২৭, নড়াইলে ৮ জন এবং সাতক্ষীরায় ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে চুয়াডাঙ্গা ও মাগুরায় কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

বিভাগে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৫ হাজার ১৭৪ জনের। শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৯৫৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া যশোরে ১৭ হাজার ৫৭০, কুষ্টিয়ায় ১২ হাজার ৮১৪, ঝিনাইদহে ৬ হাজার ৭৫০, চুয়াডাঙ্গায় ৫ হাজার ৫৬৩, বাগেরহাটে ৫ হাজার ৪৮৩, সাতক্ষীরায় ৫ হাজার ১৮৭, নড়াইলে ৩ হাজার ৮০৪, মেহেরপুরে ৩ হাজার ৩৫৬ ও মাগুরায় ২ হাজার ৬৯১ জন আছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ২ হাজার ৬৩। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৪২ শতাংশ। করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৪০ জনের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১২, খুলনায় ১০, মেহেরপুরে ৮, মাগুরায় ৪, যশোর ও ঝিনাইদহে ৩ জন করে রয়েছেন।
বিভাগে খুলনা জেলায় করোনায় সর্বোচ্চ ৫৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৪৫৪ জনের। এ ছাড়া যশোরে ২৯৪, ঝিনাইদহে ১৭৮, চুয়াডাঙ্গায় ১৪৬, মেহেরপুরে ১১৭, বাগেরহাটে ১১৩, নড়াইলে ৮৩, সাতক্ষীরায় ৮২ ও মাগুরায় ৫২ জন মারা গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন