খুলনায় এত দিন সরকারিভাবে ওই ল্যাব ও বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবেই কেবল করোনার পিসিআর নমুনা পরীক্ষা করা হতো। এখন নতুন করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরটি-পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানা গেছে। তবে কেবল খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রোগীদের যাঁদের নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজন হবে, তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাব থেকে পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সদর হাসপাতালে অ্যান্টিজেন যথারীতি চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন খুলনার সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ।

গতকাল প্রায় সাড়ে ৫০০ নমুনা পরীক্ষার সময় দেখা যায়, সব কটিই পজিটিভ। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ল্যাবটি দূষিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাবিষয়ক কমিটির সভাপতি এবং খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ মেহেদী নেওয়াজ বলেন, পিসিআর ল্যাবটি বন্ধ থাকলেও আগে থেকেই মজুত থাকা প্রায় দুই হাজার নমুনা ঢাকায় পাঠিয়ে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। আজ থেকে যেসব নমুনা সংগ্রহ করা হবে, সেগুলোও এ ল্যাবে এই তিন দিন পরীক্ষার সুযোগ থাকছে না। তবে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রোগীদের মধ্যে যাঁদের পরীক্ষার প্রয়োজন হবে, তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাব থেকে পরীক্ষা করানো হবে। তবে সেখানে এক দিনে মাত্র ৯৪টি নমুনা পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাব থেকে কিটস, রি-এজেন্ট ও জনবল দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব থেকে শুধু পরীক্ষাগুলো করিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি। পিসিআর পরীক্ষা না হলে রোগীর ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না।

মেহেদী নেওয়াজ আরও বলেন, পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা স্বাভাবিক রাখতে হলে প্রতি মাসে অন্তত একবার করে দূষণমুক্ত করা উচিত। কিন্তু খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবটি গত বছরের ৭ এপ্রিল থেকে চালুর পর একবারও দূষণমুক্ত করা হয়নি। একবার দূষণমুক্ত করতে হলে অন্তত দুই দিন ল্যাব বন্ধ রাখতে হয়। এমনিতেই এ ল্যাবে প্রচুর চাপ ছিল। গতকাল প্রায় সাড়ে ৫০০ নমুনা পরীক্ষার সময় দেখা যায়, সব কটিই পজিটিভ। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ল্যাবটি দূষিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন