কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ প্রথম আলোকে বলেন, রোববার বিকেলে শিশু রবিউল হোসাইন খেলাধুলা করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় আত্মীয়স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নেন। পরে রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ির পাশের পাহাড়ের ধসে পড়া মাটি সরিয়ে এলাকাবাসী রবিউলের লাশ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ বলেন, দুই দিন ধরে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে পাহাড় ধসে পড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিকেলে পাহাড়ের পাদদেশে খেলতে গিয়ে ধসে পড়া মাটিতে চাপা পড়ে রবিউল হোসাইন নিখোঁজ হয়ে যায়। ভারী বৃষ্টির প্রভাবে আরও পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইয়াছিন প্রথম আলোকে বলেন, রোববার রাতে পাহাড়ধসে এক শিশু নিহত হয়েছে। আর ভারী বর্ষণের ফলে এলাকায় আরও পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন