সাকিবের বাবা সিরাজ মোড়ল বলেন, ছেলেকে প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাতের রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শিশু সাকিবের হাতটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা।

সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার অর্ঘ্য দেবনাথ বলেন, খামারের গরুর জন্য বিচালি কাটা মেশিনে নেপিয়ার ঘাস কাটছিল স্কুলছাত্র সাকিব আল হাসান। হঠাৎ মেশিনের ভেতরে সাকিবের ডান হাত ঢুকে ক্ষতবিক্ষত হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় ব্যক্তিরা এগিয়ে এসে বিদ্যুতের সুইচ বন্ধ করে দেন। এ সময় সাকিবের হাত বের করা যাচ্ছিল না। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত বের করেন এবং শিশুটিকে হাসপাতালে পাঠান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন