বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার বিকেলের দিকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হলে টঙ্গী থেকে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে বোর্ডবাজার পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার সড়কে রাত আটটা পর্যন্ত যানজট লেগে ছিল। এ ছাড়া বাস্তুহারা, চেরাগআলী মার্কেট, মিলগেট, স্টেশন রোড ও টঙ্গী বাজার এলাকায় তীব্র যানজট লাগে। অন্যদিকে, চান্দনা চৌরাস্তা থেকে পূর্ব দিকে পল্লী বিদ্যুৎ পর্যন্ত, ভোগড়া বাইপাস মোড় থেকে কড্ডা ব্রিজ পর্যন্ত এবং সালনা থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত যানজট লেগেই আছে। চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দেখা যায়, অনেকে স্ত্রী, সন্তানসহ ঝুঁকি নিয়ে ছোট পিকআপে করে গন্তব্যের উদ্দেশে ছুটছেন।

default-image

এ সময় মালবাহী পরিবহনগুলোতে কোনো প্রকার বিধিনিষেধ না মেনে ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়ে যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে। পুলিশ কোনো যাত্রীবাহী পরিবহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে ওই পরিবহনের পেছনে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে এ ক্ষেত্রে পুলিশকে নিরুপায় দেখা গেছে। মানুষের স্রোতের কারণে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা, টঙ্গী স্টেশন রোড, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, তারগাছ, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, মালেকের বাড়ি, বাসন, সালনা, শ্রীপুরের মাওনা, জৈনাবাজারসহ ব্যস্ততম স্থানগুলোতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

default-image

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, টঙ্গী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত রাস্তায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের চাপ বেশি হওয়ায় কোথাও কোথাও যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুলতান উদ্দিন আহমাদ বলেন, সড়কে কোনো গণপরিবহন নেই। তবু ব্যক্তিগত যানবাহন ও ট্রাক-পিকআপের চাপ, আর হাজার হাজার মানুষ ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য রাস্তায় নেমে আসায় সড়কে সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন