বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে নারীর গর্ভে থাকা সন্তানকে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্তে জামিন পান অভিযুক্ত ব্যক্তি। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরই ওই নারীকে বিয়ে করেন এবং স্ত্রীর গর্ভে থাকা সন্তানের স্বীকৃতিও দেন ওই ব্যক্তি।

শুক্রবার দুপুরে ওই নারীর প্রসব বেদনা শুরু হলে দ্রুত তাঁকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই নবজাতকটি মারা যায়।

হাসপাতালের চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, নবজাতকের অবস্থা ভালো ছিল না। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই মারা গেছে।

ওই নারীর এক স্বজন প্রথম আলোকে বলেন, যার পিতৃপরিচয় ও স্বীকৃতির দাবিতে মামলা করা হয়েছে, তাকেই বাঁচানো গেল না। তবে আইনের আশ্রয় নেওয়ায় সুফল পাওয়া গেছে। প্রশাসনের পদক্ষেপের কারণে বাক্‌প্রতিবন্ধী নারী সংসার করতে পারছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন