বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ এ ঘটনায় প্রধান আসামি ওই ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য নাজিউর রহমান মঞ্জুসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অপর দুজন হলেন নেছারউদ্দিন ও জাকির হাওলাদার।

নিহত ব্যক্তির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইউপি নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যপদে নাজিউর রহমান (তালা) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কামাল গাজী (আপেল প্রতীক)। ফলাফল ঘোষণার পর রাত সাড়ে ১১টায় ওয়ার্ডের পশ্চিম পক্ষিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় নাজিউর রহমানের সমর্থকদের সঙ্গে কামাল গাজীর সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আর দুদা পল্লানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে বরিশাল ও পরে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

নিহত ব্যক্তির স্ত্রী রেহানা বেগমের ভাষ্য, কামাল গাজীর সমর্থক ছিলেন তাঁর স্বামী দুদা পল্লান। সরাসরি তিনি তাঁর নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। নির্বাচনে জয়লাভ করেই নাজিউর রহমান ও তাঁর ভাই নেছারউদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ কামাল গাজীর সমর্থকদের ওপর দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এ ঘটনায় রেহানা বেগম বাদী হয়ে নির্বাচিত ইউপি সদস্য নাজিউর রহমান, তাঁর ভাই নেছারউদ্দিনসহ ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গলাচিপা থানায় মামলা করেন।

গলাচিপা থানার ওসি এম আর শওকত আনোয়ার ইসলাম বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই ইউপি সদস্যপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত দুদা পল্লান মারা গেছেন। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রীর করা মামলায় প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন