বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই প্রসঙ্গে সামসুজ্জামান লিখন বলেন, ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট তাঁর জন্ম। মুক্তিযুদ্ধকালে তাঁর বাবা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। ওই সময় সব চেয়ারম্যানকে বাধ্যতামূলক শান্তি কমিটিতে নাম দেওয়া হয়। তবে তাঁর বাবা কোনো ধরনের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। সামসুজ্জামান লিখন বলেন, ১৯৮৪ সালে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সবশেষ উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে পানপট্টি ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হন। ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ওই বছর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ ছাড়া তিনি ২০১৫ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি সামসুজ্জামান লিখন ও জাফর প্যাদা যুদ্ধাপরাধীর সন্তান। এমন আরও বিতর্কিত লোক এ নবগঠিত কমিটিতে রয়েছেন।

জাফর প্যাদা বলেন, তাঁর পিতা মুক্তিযুদ্ধকালে শিক্ষকতা করেছেন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় তাঁর বাবার নাম নেই। শুধু উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সামসুজ্জামান লিখনকে সমর্থন করায় তাঁকে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার করা হচ্ছে। অথচ তাঁর নিকটাত্মীয়রাও এ নবগঠিত কমিটির উচ্চ পদে আছেন বলে জানান তিনি। জাফর প্যাদা বলেন, তাঁদের পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ১৯৮৭ সালে গলাচিপা ডিগ্রি কলেজের সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেলে ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন।

গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, সামসুজ্জামান লিখন, জাফর প্যাদা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী রাজনীতি করে আসছেন। তাঁরা ত্যাগী নেতা। দলের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য একটি চক্র এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।

পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, ‘যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁরা আওয়ামী লীগের দুর্দিনে আমাদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। দলের ক্ষতি করার জন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে যদি কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আসে, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন