default-image

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে ভর্তি হওয়া ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। আজ শুক্রবার সিভিল সার্জন মো. নাসির উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জেলা সিভিল সার্জন আজ সকালে বলেন, গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে যে ব্যক্তি ভর্তি হয়েছিলেন, তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে গত বুধবার বিকেলে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন নেগেটিভ এসেছে। ওই ব্যক্তি সুস্থ আছেন।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রিয়াজুল আলম বলেন, ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অ্যাজমা রোগে ভুগছেন। এ কারণে তাঁর সর্দি, কাশি লেগেই থাকে। হাসপাতালে চিকিৎসার পর তিনি মোটামুটি সুস্থ আছেন। তাঁর বাড়িসহ আশপাশের ১০ বাড়ি লকডাউন করা হয়েছিল। উপজেলা প্রশাসনকে লকডাউন প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন মধ্যবয়সী ওই ব্যক্তি। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভর্তি রোগীর বেশির ভাগই হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান।

ওই ব্যক্তির বড় ছেলে বলছিলেন, রোববার তাঁরা তাঁর বাবাকে জেনারেল হাসপাতালে নেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ভর্তি না নিয়ে জরুরি বিভাগে পাঠায়। পরে সেখান থেকে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে বলা হয়। শ্বাসকষ্ট ও কাশি না কমায় পরদিন তাঁরা তাঁকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রথমে তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। পরে ভর্তি নেওয়া হয়।

হাসপাতালে দায়িত্বরত দুজন কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলছিলেন, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছেন, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। রাতেই ভর্তি অনেক রোগী হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান। আর পরের দিন হাসপাতাল প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন