বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু বলেন, গতকাল তাঁদের কার্যালয়ে কোনো অনুষ্ঠান ও লোকজনও ছিল না। শুধু পিয়ন পার্টি অফিস খোলা রেখেছিলেন। গাংনীতে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মধ্যে অনেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন। বিএনপি যাতে তাঁদের সমর্থন না দেয়, সে কারণে ভয় দেখাতে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা ওই হামলা চালিয়েছেন।

জেলা বিএনপির সহসভাপতি জাভেদ মাসুদ বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যে কোন্দল হলেও বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালায়। চলমান ইউপি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিচ্ছে না। আওয়ামী লীগের অনেকে এক–একটি ইউপিতে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনের অংশ নিচ্ছেন বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতি বিএনপির যাতে সমর্থন না থাকে, সে জন্য এ হামলা হয়েছে।

বিএনপি কার্যালয়ে হামলার পর গাংনী বাসস্ট্যান্ডে সংক্ষিপ্ত সভা করে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল হক সেন্টু বলেন, ‘আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায় বিএনপি। উপজেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা বিএনপি অফিসে বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন—এমন খবরে ছাত্রলীগের ছেলেরা হামলা করেছেন। যেকোনো মূল্যে বিএনপির সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে ছাত্রলীগ মাঠে আছে।

ছাত্রলীগের ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবাল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ডালিম রানা, সাধারণ সম্পাদক নাসিরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।

ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। যে সময়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, ওই সময় বিএনপির কোনো নেতা–কর্মী সেখানে ছিলেন না। হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন