ভর্তির টাকা ও উপহার পেয়ে আনন্দিত প্রতীক কুমার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, টাকার অভাবে তাঁর দাদার চোখের উন্নত চিকিৎসা করানো হয়নি। সেই স্মৃতি তাঁর মনে আছে। তাই ছোটবেলা থেকে চক্ষু চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন তাঁর। ভর্তির সমস্যা দূর হওয়ায় সেই স্বপ্নপূরণ হতে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসকের সহায়তা পেয়ে লেখাপড়ায় আরও উৎসাহ পাওয়ার কথা জানান তিনি।

প্রতীকের মা বীথি সরকার বলেন, ‘পোত্তম আলোত খবর দেকি ডিসি স্যার হামার বাসাত আচ্ছে। হামরা খুসি হচি। তিনি হামার ছোলট্যার যে উপক্যার করল্যান, কোনদিন ভুল্যার নই।’