বিজ্ঞাপন

জেসমিন আক্তার বলেন, ‘অনেকে মিলে আমার আব্বাকে মারধর করেছেন। তাঁদের মধ্যে আওয়াল, খালেদ, বিজয়, মুন্নু, রাকিব, কেরুল, সামি—এই সাতজনকে আমি মারধর করতে দেখেছি।’

উপস্থিত লোকজন ও স্বজনেরা আহত অবস্থায় শহীদ মিয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। পরে সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. ফারুক বলেন, শহীদ মিয়াকে তাঁর স্বজনেরা বেলা ২টা ৩০ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ওই সময় চিকিৎসক তাঁর পালস খুঁজে পাচ্ছিলেন না। পরে ইসিজি করার পর মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হন। তাঁকে মৃত অবস্থায়ই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল।

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক দেবদুলাল দে বলেন, সীমানা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহত শহীদ মিয়ার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন