বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোমার বাবা শহিদুল ইসলাম (৪৫) দীর্ঘদিন অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। মা খোদেজা বেগম অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। হাত-পা ভেঙে যাওয়ায় তাঁর মা ১২ হাজার টাকা ঋণ করে সোমার চিকিৎসা করিয়েছেন। কিন্তু তাকে সুস্থ করে তুলতে আরও টাকার প্রয়োজন।

শহিদুলের তিন মেয়ে, এক ছেলে রয়েছে। বড় দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। এখন সোমা চতুর্থ ও ছোট ছেলে খোকন (৬) প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। পরিবারে আরও আছেন শহিদুলের বৃদ্ধ বাবা আবুল হোসেন (৭৫), মা ছবিরন নেছা (৬০) ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাই শফিকুল ইসলাম। শহিদুল এক বছর ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। শফিকুলের ভিক্ষার টাকাই বর্তমানে পরিবারটির একমাত্র উপার্জনের পথ। হঠাৎ মেয়েটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় বেকায়দায় পরিবারটি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সারা দিন মানুষের কাছে হাত পেতে যা পাই, তা দিয়ে দিন চলে। এর মধ্যে ভাতিজি গাছ থেকে পড়ে হাত–পা ভেঙেছে। প্রতিবন্ধীর ভাতা পাই, তা দিয়ে তো সংসার চলে না। ঋণ করে ভাতিজির চিকিৎসা চলছে। এখন ওষুধপত্রের জন্য আরও টাকার প্রয়োজন।’

default-image

গতকাল রোববার শিমুলতলা স্লুইজগেট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল কুদ্দুস সুমার বাড়ি থেকে ফিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সুমার চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানান। আবদুল কুদ্দুছ প্রথম আলোকে বলেন, ঋণ করে মেয়েটির চিকিৎসা চলছে। সাত সদস্যের পরিবারে প্রায় সবাই উপার্জনে অক্ষম। শুধু শফিকুল ভিক্ষা করে সংসারের হাল ধরেছেন। মেয়েটি সুস্থ হয়ে দ্রুত স্কুলে আসতে চায়। কিন্ত তার চিকিৎসা খরচ নিয়ে পরিবারটি বিপাকে পড়েছে। তাই পরিবারটিকে সহযোগিতা করতে তিনি ফেসবুক বন্ধুদের অনুরোধ করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন