বিজ্ঞাপন

কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর গোলাম ফারুক বলেন, আশাপাশের এলাকায় যানজট নেই। তবে যানবহনের চাপ রয়েছে। দুপুরের পর অনেক কারখানা ছুটি হওয়ার কথা রয়েছে। কারখানাগুলো ছুটি হলে বিকেলে যানবাহনের চাপ বাড়বে কয়েক গুণ। তবে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকার তুসুকা ডেনিম কারখানার শ্রমিক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কারখানা থেকে ছুটি নিয়ে এক দিন আগেই বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছি। সকাল ছয়টা থেকে অপেক্ষা করে কোনো যানবাহন পাচ্ছি না। শত শত যাত্রী, কিন্তু যাওয়ার মতো গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। কীভাবে যাব, তা বুঝতে পারছি না।’

কারখানার শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, তিনি রংপুরে যাবেন। কিন্তু দূরপাল্লার কোনো বাস তাঁকে উঠাচ্ছে না। ঢাকা থেকে গাড়িভর্তি যাত্রী নিয়ে বাসগুলো রওনা হয়েছে। এখন বাধ্য হয়ে গরুবাহী ট্রাকে উঠে তিনি চলে যাবেন।

কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা গতকাল রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুরের পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ট্রাফিক ও থানা পুলিশদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিং করেন। তিনি বলেন, মহাসড়কে কোনো অবস্থাতেই যাতে যানজটের সৃষ্টি না হয়, সে জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। দায়িত্বে কোনো অবহেলা করা যাবে না। গণপরিবহনগুলোকে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে হবে। মহাসড়কের নিরাপত্তা রক্ষায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন